ফ্যাসিবাদের দোসর বিচারকরা এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন: অ্যাটর্নি জেনারেল

  নিজস্ব প্রতিবেদক
  প্রকাশিতঃ সন্ধ্যা ০৭:০৯, শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৬ আশ্বিন ১৪৩১

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান এ কথা বলেছেন, গত ১৫ বছর যেসব বিচারক ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে মানুষের অধিকার হরণে ভূমিকা পালন করেছেন, তারা এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। এ বিষয় চলমান থাকলে জাতির কাছে ভুল বার্তা যাবে।

বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতির দেওয়া অভিভাষণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শনিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের মূল ভবনের ইনার গার্ডেনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, বিচার বিভাগ সংস্কার সংক্রান্ত কমিশনের চেয়ারম্যান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান ও অধস্তন আদালতের বিচারকরা।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বিগত দেড় দশক সময়ে খুন, গুম, হামলা, মামলা, দমন, পীড়ন ও লুটপাটের মাধ্যমে নাগরিকদের মানবাধিকার ও ভোটের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল।

দেশী ও আন্তর্জাতিক সংস্থার তথ্যানুযায়ী, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৩৬ জুলাই (৫ আগস্ট) পর্যন্ত চার হাজারের বেশি মানুষ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ৭০০ এর অধিক মানুষ গুমের শিকার হয়েছেন। ৬০ লক্ষাধিক মানুষ গায়েবি মামলার আসামি হয়েছিল। কথা বলার স্বাধীনতা, সভা-সমাবেশের স্বাধীন ও মৌলিক অধিকারগুলো হরণের মাধ্যমে বিরোধী মত দমনের নিকৃষ্টতম ইতিহাস রচিত হয়েছিল।

তিনি বলেন, সেই দুঃসময়ে আমাদের বিচার বিভাগ ন্যায়বিচারের ধারা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে। হয় দর্শকের ভূমিকা পালন করেছেন, নয়তো নতজানু অবস্থান নিয়েছে। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন, ৩৬ জুলাই থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের কেউ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়নি। তার মূল কৃতিত্ব যেতে পারে আমাদের শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক আসিফ নজরুলের নেতৃত্বের প্রতি।

তিনি আরও বলেন, মামলা দায়েরে ভিকটিম ফ্যামিলি কিছু কিছু ক্ষেত্রে আইনের গণ্ডি অতিক্রম করেছে বলে লক্ষ্য করেছি। এ বিষয়ে আমি উদ্যোগ নিয়ে সরকারের কাছে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করেছিলাম। তার একটি ছিল মামলা হওয়া মানেই গ্রেফতার নয়। এর ফলে জনমনে অনেক স্বস্তি ফিরে এসেছে এরইমধ্যে।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিচার বিভাগের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দুর্নীতি। যা অর্থনৈতিক কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি হতে পারে। জাতি প্রত্যাশা করে, বিচার বিভাগ যেকোনো ধরনের দুর্নীতি কিংবা সিন্ডিকেটমুক্ত থাকবে। দুর্নীতির প্রচলিত ধারণা অর্থনৈতিক লেনদেন বুঝালেও, বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতি অ্যাটম বোমার চেয়েও ভয়াবহ। ক্যানসারের চেয়েও মরণঘাতী।

Share This Article

সম্পদ কমলেও ধনী তারকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন শাহরুখ

নতুন ধ্বনি

মূল্যস্ফীতি কমলেও ঋণ প্রবৃদ্ধি ধীর, রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে ইতিবাচক ধারা

ছবি: নতুন ধ্বনি

ভুয়া নথি ও ব্যাক-ডেটেড চিঠির ছক: এস আলমের গোপন ইমেইল ফাইলের নথি প্রকাশ

নতুন ধ্বনি

আমানত বাড়লেও বড় ঝুঁকিতে দেশের ব্যাংক খাত

নতুন ধ্বনি

ল্যাব টেস্ট ছাড়াই ৪৩ কোটি টাকার বিল পরিশোধ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে!

নতুন ধ্বনি

আহমাদিনেজাদ কি ইসরায়েলের গুপ্তচর?

বিআইবিএমে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান

গ্রাহকের বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণা, দায় এড়াতে পারবেন না শরিয়াহ বোর্ড ও চেয়ারম্যান: গভর্নর

নিজস্ব তৈরি

এক বছরে শিল্প খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে লাখ কোটি টাকার বেশি

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশীদের আমান বেড়ে ১২৭৬৩ কোটি টাকা

লোগো

আমানতকারীরা নিতে পারবেন বিনিয়োগ সুবিধাও


অধ্যাপক আলী রীয়াজকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ: প্রেস উইংয়ের বিবৃতি

এয়ারবাস ইস্যুতে জার্মান রাষ্ট্রদূতের উদ্বেগ নাকচ করলেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের সম্মানসূচক সামরিক পদক পেলেন বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তা

ঢালচরে ম্যানগ্রোভ বাগানের খালে ড্রেজার বসিয়ে মাটি কাটার অভিযোগ

বিজয় রাকিন সিটি: মুক্তিযোদ্ধাদের ফ্ল্যাটে প্রভাবশালীদের দখল

ছবি: সংগৃহীত

ক্যান্সারের ওষুধের দাম কমিয়ে ভিটামিনের দাম বাড়াতে প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানে শিশুমৃত্যু নিয়ে উদ্বেগ ইউনিসেফের

ছবি: সংগৃহীত

‘আ.লীগ বিডিআর হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছে কিনা তদন্ত করা উচিত’

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ সরবরাহে সম্মত আদানি

ছবি: সংগৃহীত

তৃতীয় ধাপের আখেরি মোনাজাত আজ

ছবি: সংগৃহীত

সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলের প্রতি প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

অনলাইনে মামলা দায়েরের ব্যবস্থা চালুর নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার