বৈধ বা অবৈধ পথে অস্ট্রেলিয়া ও কানাডায় যেতে চাইছেন রোহিঙ্গারা

  নিজস্ব প্রতিবেদক
  প্রকাশিতঃ রাত ১১:২৮, বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ১১ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

নিরাপদ প্রত্যাবাসন এখনও অমীমাংসিত থাকায় কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি জীবন কাটাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা না থাকায় তারা তৃতীয় কোনো দেশে নিরাপদ জীবন গড়ার আশা করছেন। বৈধ বা অবৈধ যে কোনো পথেই হোক, উন্নত দেশে পুনর্বাসনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করছেন সব বয়সের রোহিঙ্গারা।

কিছু শরণার্থী জানিয়েছেন, তারা সন্তানদের ভালো ভবিষ্যতের জন্য অস্ট্রেলিয়া, কানাডা বা আমেরিকায় যেতে চান। মিয়ানমারের ট্রমা আর অনিশ্চিত জীবন থেকে তারা নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে আকৃষ্ট। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয় জানাচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কিছু রোহিঙ্গা তৃতীয় দেশে পুনর্বাসিত হয়েছেন, তবে সংখ্যাটা খুব সীমিত।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “ফাস্ট ওয়াল্ডের উন্নত দেশে যাওয়া রোহিঙ্গাদের স্বাভাবিক চাওয়া। তবে বাস্তবতা হলো, গত পাঁচ বছরে মাত্র পাঁচ হাজার রোহিঙ্গা পুনর্বাসিত হয়েছেন। এখানে ১২ লাখের বেশি মানুষ বসবাস করছে এবং প্রতিদিন অন্তত ১০০ শিশুর জন্ম হচ্ছে। এটি সমাধান প্রায় অসম্ভব।”

কানাডা, নিউজিল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশে মোট ৪৮৯৭ রোহিঙ্গা পুনর্বাসিত হয়েছে। নিরাপদ প্রত্যাবাসন সম্ভব হলে এদের অনেকেই নিজ দেশে ফিরে যেতে চান। কানাডায় পুনর্বাসিত মো. ইসমাইল বলেন, “যদি শান্তিপূর্ণভাবে আরাকানে ফিরে যাওয়ার ব্যবস্থা থাকে, সবাই চলে যাবে। আমরাও চাইলে ফিরে যাব। কিন্তু রাখাইনে এখনো সবাই সেনা ও আরাকান আর্মির চাপে আছে, তাই আরাকানে যেতে চাচ্ছে না।”

বর্তমানে প্রায় ১৪ লাখ রোহিঙ্গা কক্সবাজারের ৩৩টি ক্যাম্পে বসবাস করছেন। প্রত্যাবাসন ও পুনর্বাসনের অনিশ্চয়তার কারণে মাঝে মাঝে তারা অবৈধ পথে পালানোর চেষ্টা করছেন, যা সংবাদ শিরোনামেও উঠে আসে।

Share This Article

ফাইল ফটো

দেশে রেকর্ড ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ

প্রথমবারের মতো ফ্রান্সের সম্মানসূচক সামরিক পদক পেলেন বাংলাদেশি সেনা কর্মকর্তা

শেখ হাসিনা ও কামালের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

হাসিনার প্রত্যর্পণে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় বাংলাদেশ

২৫ বছরের অভিজ্ঞতা ও তিন বছর ডিএমডি থাকলেই হওয়া যাবে ব্যাংক এমডি

৬৪ জেলায় নতুন এসপিদের পদায়নের প্রজ্ঞাপন

যবিপ্রবি ও স্থানীয়দের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নারী শিক্ষার্থী উত্ত্যক্তের অভিযোগ

দক্ষিণ থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩

ঢাকা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর

জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত এনবিআর কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা


ছবি: সংগৃহীত

টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষে সাদপন্থী মুসল্লীর মৃত্যু

নজরুল হামিদ বিপু

নসরুল হামিদের ছেলের কোটি টাকা ফ্ল্যাট জব্দ

ছবি: সংগৃহীত

শামসুদ্দোহার দুর্নীতির দুই মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত

তারেকের একান্ত সচিব অপু

তারেকের একান্ত সচিব অপুকে দুদকের অব্যাহতি

ছবি: সংগৃহীত

১১৫ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদন

ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সংঘর্ষের ছবি

সাত কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, দুইজন আহত

ছবি: সংগৃহীত

এস কে সুরের লকারে ডলার, ইউরো সোনা ও এফডিআরের কাগজ

ছবি: সংগৃহীত

টঙ্গীতে অস্ত্রসহ ১৬ ডাকাত গ্রেফতার

ছবি: সংগৃহীত

টঙ্গীতে ধাওয়া করে দুই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার, এক ছাত্র আহত

ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে শিবির সেক্রেটারির উপর হামলা ছাত্রদলের

নতুন ধ্বনি প্রতিনিধির তোলা ছবি

টঙ্গীতে ছয় মামলার আসামি টিকটক সজল গ্রেপ্তার, অস্ত্র উদ্ধার