দরিদ্র মানুষকে শোষণ গণতান্ত্রিক দেশের আইন হতে পারে না: মঈন খান
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, "দরিদ্র মানুষকে শোষণ করা কোনো গণতান্ত্রিক দেশের আইন হতে পারে না।" তিনি নরসিংদীর ঘোড়াশাল-পলাশে বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তাদের কার্যক্রমের নিন্দা করে বলেন, তাদের কর্মকাণ্ড দরিদ্র জনগণের জন্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। তিনি অভিযোগ করেন, বিআইডব্লিউটিএ’র ঢাকার কর্মকর্তারা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের কাছ থেকে ঘুষ না পেয়ে আইনের দোহাই দিয়ে প্রায় ১০ হাজার দরিদ্র মানুষকে তাদের দোকানপাট ভেঙে দিয়েছে। এতে তাদের সৎ আয়ের পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, এবং তারা অনাহারে মৃত্যুর মুখে পড়েছে।
রোববার সন্ধ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মঈন খান এসব কথা বলেন। তিনি সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে, বিআইডব্লিউটিএ’র ভেতরে থাকা আওয়ামী লীগ সমর্থিত স্বৈরাচারের প্রেতাত্মারা ঘোড়াশাল-পলাশে নিরীহ মানুষের ওপর জুলুম করেছে, যা স্বৈরাচারের চেয়েও লজ্জাজনক।
তিনি আরও বলেন, "বিগত ১৫ বছর ধরে বিআইডব্লিউটিএ দেশের জলাভূমি ও নদী থেকে হাজার হাজার কোটি টাকার বালু কেটেছে, কিন্তু আজ তারা দরিদ্র মানুষকে উচ্ছেদ করার নামে আইন দেখাচ্ছে।" মঈন খান অভিযোগ করেন যে, ঢাকার কর্মকর্তারা আইডব্লিউটিএ’কে ব্যবহার করে স্থানীয় প্রশাসনকে বাইপাস করে দরিদ্র জনগণের বিরুদ্ধে অবিচার করেছে। তিনি প্রশাসনকে সতর্ক করে বলেন, "অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিতর্কিত করতে স্বৈরাচারের দোসররা ষড়যন্ত্র করছে।"
মঈন খান দাবি করেন, "অবিলম্বে ভেঙে ফেলা দোকানগুলি মেরামত করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।" তিনি বলেন, দরিদ্র মানুষ নিজেদের জীবন নির্বাহ করতে যে ক্ষুদ্র ব্যবসা করে, তাদেরকে অন্যায়ভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং এখন তারা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে।